অফবিট

৪২ ফুট নখ নিয়ে নারীর বিশ্বরেকর্ড

মার্কিন নারী ডায়ানা আর্মস্ট্রং ৪২ ফুট দীর্ঘ হাতের নখ নিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন। ৩ আগস্ট গিনেস অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

জানা যায়, ১৮ ফুট ৮ ইঞ্চি দীর্ঘ নখ নিয়ে এর আগে এই বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন মার্কিন নারী আয়ানা উইলিয়ামস। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি সেগুলো কেটে ফেলেছিলেন।

একটি বিবৃতিতে গিনেস অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ৬৩ বছর বয়সী মিনেসোটার বাসিন্দা ডায়ানা আর্মস্ট্রংয়ের দুই হাতের নখ ৪২ ফুট ১০ দশমিক চার ইঞ্চি লম্বা।

ছবি: গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড

আর্মস্ট্রং গত ২৫ বছর ধরে নখ কাটেন না। তবে তিনি গিনেস অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লেখানোর পরিকল্পনার কথা তার আত্মীয়দের জানাননি।

১৯৯৭ সালের পরে আর তিনি নখ কাটেননি। তার বড় মেয়ে লাসিথা তার সব দেখভাল করেন। ঘুম থেকে উঠা থেকে ঘুমানো পর্যন্ত সব দায়িত্ব পালন করতেন।

হাঁপানি রোগে আক্রান্ত হয়ে ১৬ বছরের কন্যা লাসিথহা ওপারে চলে যান। কন্যা হারানোর ওই দিনটিকে জীবনের সবচেয়ে দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ছবি: গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড

সপ্তাহের ছুটির দিনে তার নখ কেটে দিতেন তার লাসিথা। শুধু নখই কেটে দিতেন না। শপিংসহ মায়ের যাবতীয় সব কাজে সহায়ক হিসেবে ছিল লাসিথা।

ডায়ানার আরেক কন্যা রানিয়া। সে তার মাকে নখ কেটে ফেলতে তাগিদ দিতো। তবে মায়ের অনূভূতি দেখে পরে তার মতামতও পরিবর্তন করে। বড় বোনের বিদায়ের পর মায়ের সব কাজ এখন রানিয়াই করে।

ছবি: গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড

বাইরে শপিংয়ে গেলে মাকে সব ধরনের সহায়তা করে। তার নেল পালিশ দেয়া ও ঘরের যাবতীয় কাজ করে দেন। নখের জন্য ১৫-২০ বোতল নেল পালিশ লাগে ডায়ানার।

গাড়ী চালানোর সময় বড় হওয়ায় নখ বাইরের দিকে রাখতে হয়। ব্যতিক্রমী নখ হওয়া জনসম্মুখে ডায়ানার আলাদা কদর রয়েছে।

কন্যা ও নাতি নাতনিরা শুরুতে বড় নখের জন্য বিব্রত হলেও গীনেস বুকের রেকর্ডে বিশ্বের সবচেয়ে বড় নখের অধিকারী হওয়ায় তারা বেশ খুশি।

 

ছবি: গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এর প্রধান সম্পাদক ক্রেগ গ্লেনডেও সার্টিফিকেট দিয়ে ডায়ানা ও তার পরিবারের সাথে একটি দিন কাটাতে পারলে তার জন্য “পরম সুযোগ” বলে অভিপ্রায় প্রকাশ করেন।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় নখের বিশ্ব স্বীকৃতি পাওয়ায় গোটা পৃথিবীর পত্র পত্রিকা বেশ ঢালাওভাবে তার বিষয়ে নানান রকম তথ্য প্রকাশ করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও পড়ুন