অফবিট

শেভের পরে গালে জ্বালা-চুলকানি কমাতে যা করতে হবে 

রাফসান রাজ:  দাড়ি কামানো বা শেভ করা পুরুষদের নিত্যদিনের অন্যতম কাজ। বিশেষ করে যারা কর্পোরেট অফিসে চাকরি করেন তাদের অফিসে যাওয়ার আগে প্রায় প্রতিদিনই শেভ করতেই হয়। প্রতিদিন গালে রেজার ব্যবহারের ফলে ত্বক রুক্ষ, খড়খড়ে হয়ে যেতে পারে।

তাছাড়া শেভ করার পরে ত্বকে জ্বালা-চুলকানিও হতে পারে। ত্বকে রেশ বের হতে পারে। এর ফলে বেশ অস্বস্তি বোধ হয়। এই সব সমস্যা থেকে বাঁচতে চাইলে, শেভ করার সময় বিশেষ কিছু নিয়ম মেনে চলা উচিত। অনেক সময় খারাপ কোয়ালিটির রেজার ব্যবহার করার কারণেও এই সমস্যাগুলো হয়। তাই সর্বদা ভাল কোয়ালিটির রেজার ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। এছাড়াও শেভ করার সময় কিছু নিয়ম মানলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে-

ত্বক যত বেশি শুষ্ক হবে, শেভ করার পরে জ্বালা-চুলকানি হওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি থাকবে। তাই ত্বক যাতে বেশি শুষ্ক না হয়ে থাকে, সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। শেভ করার অন্তত ৬-১২ ঘণ্টা আগে মুখে ভালভাবে ময়েশ্চারাইজার বা অ্যালোভেরা জেল মেখে নিন। এতে ত্বক ময়শ্চারাইজড ও হাইড্রেটেড থাকবে।

প্রথমে লম্বা দাড়ি কাঁচি দিয়ে ছেঁটে নিন কারণ যদি লম্বা দাড়ি রেজার দিয়ে কাটতে যান, তাহলে গালের এক এক জায়গায় একাধিক বার ব্লেড ছোঁয়াতে হবে। এর ফলে ত্বকে ক্ষত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে তাই শেভ করার আগে অবশ্যই লম্বা দাঁড়ি ছাঁটাই করে নিন।

চুলের বৃদ্ধি যেদিকে হয়েছে সেদিকেই শেভ করুন। যদি দাড়ি বৃদ্ধির উল্টো দিকে শেভ করেন, তাহলে চুলের ফলিকলের স্বাভাবিক বৃদ্ধির পক্ষে ব্যাঘাত ঘটবে। তাতে শেভের পর গালে জ্বালা-চুলকানি আরো বাড়ার শঙ্কা থাকবে।

সঠিক শেভিং ক্রিম ব্যবহার করুন। গোসলের জন্য ব্যবহৃত শাওয়ার জেল বা সাবান শেভের জন্য ব্যবহার করবেন না। ত্বকের ধরণের উপর নির্ভর করে একটি শেভিং ক্রিম/ফোম/জেল বেছে নিন, এটি ত্বককে পুষ্টিও যোগাবে। যেসব ক্রিমে বেশি ফেনা হয় তা ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। এতে ত্বক মোলায়েম থাকবে। শেভের পর আরাম পাওয়া যাবে।

শেভ করার পরে ত্বকের জ্বালা-চুলকানি কমাতে অবশ্যই অ্যালোভেরা জেল বা আফটার-শেভ লোশন গালে মাখতে হবে। তাহলে অনেকটাই শেভের পর গালে চুলকানি ও জ্বালাভাব নিয়ন্ত্রিত হবে।

Leave a Reply

আরও পড়ুন