ফ্যাশন

লিপস্টিক লাগানোর সঠিক নিয়ম

মরিয়ম জাহান:

অনুষ্ঠান মাত্রই নারীদের সাজ সজ্জার কমতি থাকে না। হোক সেটা ছোট কিংবা বড় অনুষ্ঠান। যেকোনও উপলক্ষ্যেই নারীর সাজ থাকতেই হবে। তা না হলে তা বেমানান বলে মনে করেন নারীরা।

নারীদের তেমনি সাজসামগ্রী হচ্ছে লিপস্টিক। ঠোঁটের পাশাপাশি মুখের সৌন্দর্য বাড়াতে লিপস্টিক বিশেষ ভূমিকা রাখে। লিপস্টিক ছাড়া নারীর সাজ  অসম্পূর্ণ থেকে যায়।

পার্টি হোক বা বিয়ে যেকোন অনুষ্ঠানেই লিপস্টিকের ব্যবহার নারীর সৌন্দর্য দ্বিগুণ বাড়িয়ে তোলে। তবে লিপস্টিক লাগানোর সঠিক পদ্ধতি অবশ্যই জানা উচিত, না হলে সৌন্দর্য বাড়ার পরিবর্তে সৌন্দর্যহানি ঘটতে পারে।

লিপস্টিক ব্যবহারের সঠিক নিয়ম:

সবকিছুই নিয়ম মেনে চলে। সাজ সজ্জারও নিয়ম রয়েছে। যে নিয়ম মেলে চললে সৌন্দয্য ফুটে ওঠে। এর ব্যতিক্রম হলে তা দৃষ্টিকটু লাগার পাশাপাশি ব্যবহারকারীও থাকেন অস্বস্থিতে। এক্ষেত্রে কিছু নিয়ম এটির ব্যবহার ফলপ্রসু করে তোলতে পারে।

ময়েশ্চারাইজার:  

ম্যাট লিপস্টিক লাগানোর পর ঠোঁট হালকা শুষ্ক হয়ে যায়। তাই লিপস্টিক লাগানোর পূর্বে ঠোঁটে হালকা করে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন তাতে ঠোঁট নরম থাকবে ও সুন্দর দেখাবে।

ব্রাশ ব্যবহার:

ঠোঁটে সরাসরি লিপস্টিক লাগালে লিপস্টিক ঘেঁটে যেতে পারে, তাতে দেখতে খুবই বিশ্রী লাগবে। এমন বিশ্রী ভাব দূর করতে ব্রাশের সাহায্যে লিপস্টিক লাগাতে পারেন। তাতে লিপস্টিক সুন্দরভাবে ফোটবে।

লিপ লাইনার:

নিখুঁতভাবে লিপস্টিক লাগানোর জন্য লিপ লাইনার ব্যবহার করতে হবে। লিপস্টিক লাগানোর আগে লিপ লাইনার দিয়ে ঠোঁটের আউটলাইন করে নিন। এরপর লিপস্টিক লাগান। লিপ লাইনার অবশ্যই লিপস্টিকের শেডের সাথে ম্যাচিং হতে হবে। তা না হলে ভালোভাবে লাগানো যাবে না।

পরিমিত লিপস্টিক:

লিপস্টিক লাগানোর পর ঠোঁটে লেগে থাকা অতিরিক্ত লিপস্টিক তুলে ফেলুন। এজন্য টিস্যু পেপার ব্যবহার করুন। টিস্যু পেপার নিয়ে ঠোঁটের উপর হালকা চাপ দিয়ে দিয়ে অতিরিক্ত লিপস্টিক তুলে ফেলুন, তাতে দেখতে সুন্দর লাগবে ও দূর থেকেও ফোটে থাকবে।

কন্সিলার ও ফাউন্ডেশন:

ডেড স্কিন ও পিগমেন্টেশনের কারণে ঠোঁট কালচে রংয়ে হয়ে যায়। আর, কালো ঠোঁটে লিপস্টিকের রং ঠিকমতো ফোটে না। তাই লিপস্টিক লাগানোর আগে ঠোঁটে কন্সিলার ও ফাউন্ডেশন বেস লাগিয়ে নিন। তারপর পছন্দের লিপস্টিক লাগালে ভালো দেখাবে।