যুগের সাথে তাল মেলাতে বদলে যাচ্ছে শিক্ষা ব্যবস্থা

জেসিকা জাহান: যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত পুরোনো পাঠ্যক্রমে পরিমার্জন করা হচ্ছে।

পরিমার্জিত কারিকুলামে পঞ্চমে পিইসি, অষ্টমে জেএসসি ও জেডিসি নামে পাবলিক পরীক্ষা বাতিল করা হচ্ছে। নবম-দশমেও থাকছে না মানবিক, বিজ্ঞান, ব্যবসায় নামে কোনো বিভাগ।

প্রাথমিকের তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত পরীক্ষা থাকছে না। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরে সামষ্টিক পরীক্ষার পাশাপাশি ধারাবাহিক মূল্যায়ন রাখা হয়েছে বড় অংশে। আবশ্যিক বিষয় ছাড়া অন্য বিষয়গুলোর পরীক্ষা বাদ দেয়া হয়েছে।

যে কোনো পরীক্ষাই হবে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে। দেয়া হবে সনদ। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে নবম ও দশম শ্রেণীর বই আলাদা করা হয়েছে।

দশমের পাঠ্যবই পড়িয়েই এসএসসি ও সমমানের পাবলিক পরীক্ষা নেয়া হবে। অর্থাৎ এসএসসির ও সমমান পরীক্ষার আগে আর কোন পাবলিক পরীক্ষা থাকছে না।

উচ্চ মাধ্যমিকের একাদশ ও দ্বাদশের বই আলাদা করা হয়েছে, পরীক্ষাও অনুষ্ঠিত হবে আলাদাভাবে। দুই পরীক্ষা ও মূল্যায়ন সমন্বয় করে ফলাফল দেয়া হবে।

নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের জন্য ২০২২ সাল থেকে প্রাথমিকে ১০০টি আর মাধ্যমিকে ১০০টি প্রতিষ্ঠানে পাইলটিং শুরু হবে। এজন্য শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ চলছে, টিচার্স গাইড তৈরি হচ্ছে।

২০২৩ সাল থেকে এ কার্যক্রম সারাদেশে নিয়ে যাওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন শ্রেণীতে নতুন শিক্ষাক্রম চালু হবে। আর ২০২৫ সালে সারাদেশে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হবে।

সম্প্রতি রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে এ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি।

Leave a Reply