অফবিট

দেশসেরা শিক্ষক যারা

প্রতিবছর শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, প্রধান শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন শ্রেণিতে প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে দেশসেরা নির্বাচিত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বিদ্যালয়, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরির এই চার ক্যাটাগড়িতে এবারও দেশসেরা শিক্ষক নির্বাচিত করা হয়েছে। নির্বাচিতরা সবাই রাজধানীর বাইরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক।

এ বছর দেশসেরা মাধ্যমিক শ্রেণিশিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেনবরিশালের উজিরপুরের সরকারি ডব্লিউবি ইউনিয়ন মডেল ইনস্টিটিউশনের শিক্ষক মোসা. সেলিনা আক্তার।

শ্রেষ্ঠ কলেজশিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন ঢাকার সাভারের সাভার সরকারি কলেজের শিক্ষক এ কে এম সাঈদ হাসান।

শ্রেষ্ঠ মাদ্রাসাশিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন বরিশালের সাগরদী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার শিক্ষক রিয়াজুল ইসলাম।

শ্রেষ্ঠ কারিগরি শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন দেশের উত্তরের জেলা দিনাজপুরের পার্বতীপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক পবন কুমার সরকার।

বিভিন্ন গুণের ভিত্তিতে কয়েকটি ধাপের প্রতিযোগিতায় সেরাদের নির্বাচিত করা হয়। একই সঙ্গে শিক্ষার বিভিন্ন ক্ষেত্রেও সেরাদের নির্বাচিত করা হয়।

উল্লেখ্য, শুরুতে নিজ শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান, তারপর ধারাবাহিকভাবে উপজেলা, জেলা ও বিভাগে সেরা হওয়ার পর ৫ ও ৬ জুন অনুষ্ঠিত জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় দেশসেরা হন এই চার শিক্ষক।

সেরা প্রতিষ্ঠান প্রধান:

সেরা শিক্ষকের মতো সেরা প্রতিষ্ঠানও প্রধানও নির্বাচিত করেছে সরকার। তারা যার প্রতিষ্ঠানে অবদান রেখেছেন। এই সংখ্যাও চারজন।

বিদ্যালয় পর্যায়ে সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান হয়েছেন কিশোরগঞ্জের মিঠামইনের তমিজা খাতুন সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবেদা আক্তার জাহান।

এ বছর শ্রেষ্ঠ কলেজ প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন মানিকগঞ্জের দেবেন্দ্র কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক রেজাউল করিম।

এ বছর শ্রেষ্ঠ মাদ্রাসা প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন ঢাকার ডেমরার তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার মুহাম্মদ আবু ইউছুফ।

শ্রেষ্ঠ কারিগরি প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের মো. রুহুল আমিন।

বলে রাখা ভালো, প্রতিবছর জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, প্রধান শিক্ষক, প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন শ্রেণিতে প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে দেশ সেরাদের নির্বাচিত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

তবে করোনা সংক্রমণের কারণে ২০২০ ও ২০২১ সালে এ প্রতিযোগিতা হয়নি। এই পুরষ্কারের ফলে শিক্ষার সাথে সংশ্লিষ্টদের মনোবল বাড়ে বলে মনে করেন শিক্ষাবিদরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও পড়ুন