নারী
ভিউস

জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব আঘাত করছে নারীকে

নীলাঞ্জনা বিথি:
জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব আঘাত করছে নারীকে। দূষিত বায়ু, মাত্রাতিরিক্ত লবণাক্ততা, মাটির গুণমানের পরিবর্তন, জমিনে কীটনাশক প্রয়োগের কারণে গর্ভের ভ্রূণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

গবেষকেরা বলছেন, বায়ুদূষণ ও তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে জলবায়ুবিষয়ক তীব্রতা অনেকটাই বেড়েছে। আর এই তীব্রতা প্রসূতি, ভ্রূণ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

২০২০ সালে আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন জানায়, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বায়ুদূষণ ও উষ্ণায়ন প্রসূতি, ভ্রূণ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যঝুঁকি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়িয়ে দিয়েছে।

গবেষণা বলছে, মোটরগাড়ির ধোঁয়া, জীবাশ্ম জ্বালানি, কাঠ পোড়ানো ও দাবানলের ধোঁয়া বায়ুর গুণমান হ্রাস করছে। এর ফলে গর্ভবতী নারী ও গর্ভস্থ ভ্রূণ সবচেয়ে বেশি হৃদরোগ, শ্বাসযন্ত্রের রোগ ও মানসিক চাপের মতো স্বাস্থ্যঝুঁকিতে আছে।

ক্যালিফোর্নিয়া পরিবেশ সুরক্ষা ও মহামারি বিভাগের এক গবেষণায় বলা হয়, বায়ু দূষণের সঙ্গে জড়িত সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম কণা মায়ের ফুসফুসে পৌঁছাতে সক্ষম। এসব কণা প্লাসেন্টায় পৌঁছে প্রদাহ তৈরি করে, যা গর্ভাবস্থার ডায়াবেটিস ও প্রি-অ্যাকলেমসিয়ার জন্য দায়ী।

অতিরিক্ত গরম আবহাওয়া গর্ভবতীর মানসিক চাপ বাড়িয়ে ঝিমুনি থেকে শুরু করে কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের জন্যও দায়ী হতে পারে বলেও গবেষণায় বলা হয়।

সাধারণত একজন সুস্থ মানুষ দিনে ৫ গ্রাম লবণ খেলেও সমুদ্র উপকূলীয় এলাকার মানুষ খায় ১৬ গ্রাম। উপকূলীয় এলাকায় গর্ভের বাচ্চা মারা যাওয়ার হার দেড় গুণ বেশি, যা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে।

Leave a Reply

আরও পড়ুন