ফিলোসফি

আপনি কি ম্যাচিউর?

তাফসান ভূঁইয়া: আপনি কি ম্যাচিউর? তবে মিলিয়ে নিন আপনি কতোটা। ম্যাচিউর?

কখনো অন্যের পরনিন্দা বা গীবত করবেন না। এটা আপনাকে ব্যক্তিত্বহীন করে তুলবে। ম্যাচিউর মানুষ কখনো অন্যের পরনিন্দা বা গীবত করেন না।

অযথা তর্ক করবেন না। তর্ক করলে আপনাকে হারতে হবে না হলে সম্পর্ক হারাতে হবে। তাই একজন ম্যাচিউর মানুষ কখনো তর্ক করেন না।

একজন ম্যাচিউর মানুষ অন্যকে সম্মান দিতে জানেন। তিনি সবসময় আপনাকে মূল্যায়ন করে কথা বলবে। তিনি কখনো আপনার প্রতি অবহেলা প্রকাশ করবেন না।

একজন ম্যাচিউর মানুষ কখনো বাবা-মা কে অসম্মান করেন না। তিনি বাবা-মা’র সুসম্পর্ক বজায় রাখেন। কারন তিনি একমাত্র বাবা-মা স্বার্থহীনভাবে তাদের জন্য সবকিছু করতে পারেন।

একজন ম্যাচিউর মানুষ পরিবর্তনকে সবসময় মেনে নেয়। কারণ তিনি বুঝতে পারেন পরিবর্তন আসবেই।

একজন ম্যাচিউর মানুষ কখনো অন্যের সাথে নিজেকে তুলনা করেন না। কারণ তিনি জানেন এই পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ ভিন্ন ভিন্ন প্রতিভার অধিকারী।

একজন ম্যাচিউর মানুষ কখনো অভিযোগ করেন না। তিনি নিজের ঘাটতি গুলো খুঁজে বের করেন, এবং তা পূরণের চেষ্টা করেন। কারণ তিনি জানেন অভিযোগ কখনো সমস্যা সমাধান করে না। তিনি নিজেকে পরিবর্তন করে নেন।

একজন ম্যাচিউর মানুষ কখনো অন্যের ভূল নিয়ে ঠাট্টা করেন না। তিনি তাকে ব্যক্তিগতভাবে তার ভুল শুধরে দেন।

একজন ম্যাচিউর মানুষ অন্যের মতামতকে সম্মান করেন। নিজের চিন্তা ধারণা তিনি অন্যের উপর চাপিয়ে দেন না।

একজন ম্যাচিউর মানুষ মানবিক আচরণ করেন। তিনি বিপদে কোনো না কোনভাবে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে।

একজন ম্যাচিউর কখনো অন্যের ব্যক্তিগত বিষয়ে নাক গলান না। যার যার ব্যক্তিগত জীবনকে সম্মান করেন।

একজন ম্যাচিউর মানুষ কখনো দায়িত্ব এড়িয়ে যান না। তিনি কোনো দায়িত্ব নিলে ভালোভাবে পালনের চেষ্টা করেন।

এইসব গুণগুলো যেসব মানুষের মধ্যে থাকে তবেই সে ম্যাচিউর। ম্যাচিউর ব্যক্তিরা সর্বত্র সম্মানে থাকে। এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী যারা তারাই অসম্মানের পাত্র হয়।

Leave a Reply

আরও পড়ুন

কেন প্রতিবছর নস্ট্রাডমাসের ভবিষ্যদ্বানী খুঁজে মানুষ?

নন্দীতা তিয়ারি: নস্ট্রাডমাস ছিলেন একজন ফরাসী দার্শনিক, চিকিৎসক ও ওষুধ […]